নিভৃত অঞ্জলি
অরণ্যক ভট্টাচার্য
রবীন্দ্র সংগীত
About
একটি গভীর আবেগপূর্ণ রবীন্দ্র সংগীত যেখানে হারমোনিয়ামের মৃদু সুর এবং তবলার তাল লয় গানটিকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। কণ্ঠের সাবলীল প্রকাশ এবং ধ্রুপদী ঘরানার ছোঁয়া গানটিকে এক শান্ত ও বিষণ্ণ আবহে ভরিয়ে তোলে।
Lyrics
আকাশের নীল মিশেছে আজ দিগন্তের ঐ রেখায়,স্মৃতির ভিড়ে পথ হারাই, মন যে শুধু তোমায় চায়।
নিঝুম রাতে তারার মেলা, একলা আমি বসি,অতীত দিনের ঝরা পাতায় রঙের ছোঁয়া খসি।যে সুরখানি বুকের ভেতর গোপন ব্যথা জাগায়,সে সুর কি আজ উদাস হাওয়া তোমার কাছে পাঠায়?পথের শেষে ধুলোর রেণু, ক্লান্ত দুটি পায়,তুমি কি আছ পথের বাঁকে, আমায় দিতে ঠাঁই?
গভীর অরণ্য ছায়া, মেঘে ঢাকা ওই চাঁদ,জীবন আমার ছিঁড়ছে যেন মায়ার সকল ফাঁদ।তোমার নামে অঞ্জলি আজ, অর্ঘ্য সাজাই মনে,খুঁজে ফিরি তোমায় আমি, নিভৃত এক কোণে।
নদীর ধারা বয়ে চলে, সাগরেরই টানে,আমার হৃদয় ব্যাকুল শুধু তোমারই গানে গানে।শুকনো ডালে নতুন কুঁড়ি, ফাগুন আসে ফিরে,তবু কেন শূন্যতা আজ আমারই এই ভিড়ে?হয়তো তুমি আছ মিশে ভোরের শিশির কনায়,হয়তো তুমি স্বপ্ন হয়ে ভাসছ চোখের কোণায়।
অসীম শূন্যে হাত বাড়াই, ধরা কি দেয় ছায়া?নাকি এ শুধু মনের ভুল, মিছে মায়ার মায়া?যতই দূরে যাও না কেন, অগোচরে রবে,তোমার পরশ পাবে হৃদয়, এই তো হবে তবে।
স্মৃতির পাতায় ধুলো জমে, হারিয়ে যায় সব কিছু,তবুও মন ছুটে চলে তোমারই পিছু পিছু।নিশিদিন এই প্রতীক্ষাতে প্রহর গুনে যাই,তুমি ছাড়া এই ভুবনে আমার আর তো কেউ নাই।সহজ পথে কঠিন চলা, তবুও আশা জাগে,তোমার দেখা পাবই আমি, পরম অনুরাগে।
গভীর অরণ্য ছায়া, মেঘে ঢাকা ওই চাঁদ,জীবন আমার ছিঁড়ছে যেন মায়ার সকল ফাঁদ।তোমার নামে অঞ্জলি আজ, অর্ঘ্য সাজাই মনে,খুঁজে ফিরি তোমায় আমি, নিভৃত এক কোণে।
আলোর পরে আঁধার আসে, আঁধার পরে আলো,তোমায় ছাড়া এই জীবনে কিছুই লাগে ভালো।তুমিই আমার ধ্রুবতারা, তুমিই আমার পথ,তোমার তরে উৎসর্গিত আমার সকল রথ।
শান্তি আসুক ক্লান্ত মনে, নীরবতার গানে,হারিয়ে যাব তোমার মাঝে, পরম অভিমানি।শুধু রবে এই আকুতি, এই নিবিড় টান,তুমিই আমার শেষ সম্বল, তুমিই আমার গান।
নিভৃত অঞ্জলি
অরণ্যক ভট্টাচার্য
Preview